ঘরের মাঠে টোটেনহ্যাম এর কাছে হারল চেলসি।

ঘরের মাঠে প্রথমে গোল দিয়েও টোটেনহ্যাম এর কাছে ১-৩ গোলে হেরে প্রিমিয়ার লিগে টপ ৪ থেকে চ্যাম্পিয়ান লীগ খেলা অনেকটা দূরে সরে  গেল চেলসি।

মাঠে নামার আগে চারে থাকা টোটেনহ্যামের সাথে ব্যাবধান ছিল পাচ পয়েন্টের। নিজ মাঠে খেলা তাই ম্যাচ জিতে ব্যাবধান কমিয়ে চ্যাম্পিয়ান লীগ খেলার সুযোগ তৈরির পথ ছিল। খেলার ৩০ মিনিটে গোল দিয়ে মনে হচ্ছিল সেই সুযোগ কাজে লাগাবে চেলসি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১-৩ গোলে হেরে মাঠ ছারে ব্লোজরা। এর ফলে চ্যাম্পিয়ান লীগ খেলার স্বপ্ন থেকে অনেকটা দূরে সরে গেল ওইলিয়ান হেজারডরা।চ্যাম্পিয়ান লীগ খেলতে হলে প্রিমিয়ার লিগে টপ ৪ থাকা লাগবে। চার থাকা টোটেনহ্যাম এর থেকে আট পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। লীগে চেলসির খেলা আছে সাতটি, মানে একুশ পয়েন্টের খেলা। এই একুশ পয়েন্ট থেকে ৮ পয়েন্টের ব্যাবধান কমানো কষ্টসাধ্য নয় অবিশ্বাস্য বটে।

কিন্তু শুরুটা ভাল করেছিল চেলসি। খেলার ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায়। অবশ্য ১৯ মিনিটে টোটেনহ্যাম জালে একবার বল ঢোকায় চেলসির ডিফেন্ডার মারকোস অ্যালোনসো। কিন্তু অফসাইড রুলস এর কারনে গোলটি  বাতিল করেন ম্যাচ রেফারী। এর ১১ মিনিট পরেই  চেলসিকে এগিয়ে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ থেকে এই সিজনে চেলসিতে যোগ দেয়া আলভারো মোরাতা। ভিক্টর মূসেস এর ক্রস ক্লিয়ার করতে লাফ দেয় টোটেনহ্যামের গোল কিপার হুগো লালোরিস। কিন্তু বলটি তার হাতের উপর দিয়ে চলে আসে লাফিয়ে উঠা মো্রাতার দিকে। মোরাতা হেডের মাধ্যমে  গোল করে এগিয়ে দেয়।

ম্যাচ ফিরতে মরিয়া টোটেনহ্যাম প্রথমার্ধের  ইনজুরি টাইমে গোলের দেখায় পায়। বেন ডেভিস পাসে ডি-বক্স এর  বাইরে থেকে ধারুন এক শটে ম্যাচ সমতা করেন টোটেনহ্যাম এর মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান এরিক্সেন। প্রথমার্ধে শেষ হয় এই ১-১ সমতা নিয়েই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমন পালটা আক্রমন খেলা চলতে থাকে। কিন্তু কেউই গোল করতে পারছিলো না। অবশেষে গোলের দেখা পায় টোটেনহ্যাম। দলকে এগিয়ে দেয় টোটেনহ্যামের মিডফিল্ডার ডেলে আলি। আপফিল্ডে থেকে দীর্ঘ পাস দেয় ইংলিশ  মিডফিল্ডার এরিক ডিয়ার। সেই পাস থেকে গোলরক্ষকের সাথে  ওয়ান অন ওয়ান অবস্থানে  গোলে পরিনিত করেন ডেলে আলি। এর চার মিনিট পরে ব্যাবধান দ্বিগুণ করেন টোটেনহ্যাম। এবারও গোলের কারিগর ডেলে আলি।