গেইল এর কাছে হেরে গেল সাকিবের হায়দরাবাদ

পাঞ্জাবের বিপক্ষে বল হাতে সাকিব ব্যর্থ  হলেও ব্যাট হাতে বেশ জ্বলে উঠলেন। ২০তম ওভারে অশ্বিনের বলে পর পর দুবার বল উড়িয়ে মারলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু মারলে কি হবে ততক্ষনে দেরী হয়ে গেসে। হার নিশ্চিত হয়ে গেসে অনেক আগেই। তিনি ব্যাট হাতে করলেন ১২ বলে ২৪ রান।

আবার ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ১০৪ রান করা গেইলকে হারিয়ে সুপার স্ট্রাইকার  জিতে নেন। গেইল ৬৩ বলে ১০৪ রান করে অপারজিত ছিল।তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৫.০৭। আর এইদিকে ১২ বলে ২৪ রান করা সাকিবের  স্ট্রাইক রেট ছিল  ২০০। যা হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষে। কিন্তু  সাকিবের ব্যাট দেখে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে তাকে কেন এত পরে নামানো হল। এর আগে দুইবার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিল সাকিব। দুইবারই পাঁচে ব্যাট করেছেন তিনি। ১৪ এপ্রিল ইডেন গার্ডেনে হায়দরাবাদের এর আগের ম্যাচে কলকাতার বিপক্ষে ২৭ রান করে হায়দরাবাদের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছিল বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। এর থেকে আসা করাই যায়  একটু ওপরের দিকেই সাকিবকে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিবে হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তা আর হলো কই। চোট পেয়ে শিখর ধাওয়ান আহত হওয়ায় ইউসুফ পাঠানকে নামানো হলো চারে। স্ট্রোক খেলতে পারা ইউসুফ পাঠানকে আগে নামাটা ঠিক আছে। কিন্তু সাকিব আল হাসান এর আগে দীপক হুদা নামাটা কতটা যত্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়।

সাকিব যখন ব্যাটিংয়ে এলেন জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ২০ বলে ৫৯ রান। কঠিন এ সমীকরণে হারটা অনকটা নিশ্চিত হয়ে গেসে। শুধু নেট রান রেট ঠিক রকতে ব্যাট করতে হবে। সাকিব আল হাসান মনিশ পান্ডেকে নিয়ে  উইকেটে ২১ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। মনিশ পান্ডে করে অপরাজিত ৪২ বলে ৫৭ রান । আর সাকিব করে দুই ছয় ও এক চারে অপরাজিত ১২ বলে ২৪ রান। এছাড়া হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন করেন ৪১ বলে ৫৪ রান এবং ইউসুফ পাঠান করেন ১৩ বলে ১৯ রান।

সাকিব আল হাসান বল হাতে ২ ওভারে বল করে ২৮ দিয়ে কোন উইকেট তুলে নিতে পারে নি।

আসলে মোহালির এই রাতটা ক্রিস গেইল নিজের করে নিয়েছিল। তিনি খেলেন অপারাজিত ৬৩ বলের  ১০৪ রানের ঝড়ো একটা ইনিংস। এটি তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ২১তম সেঞ্চুরি। এছারা পাঞ্জাবের হয়ে অ্যারন ফিঞ্চ ১৪ রান, লোকেশ রাহুল ১৮ রান, করুণ নায়ার ৩১ রান, মায়াঙ্ক আগরওয়াল ১৮ রান করেন।

SHARE